আমাদের সম্পর্কে

jta9 — বাংলাদেশের বিশ্বস্ত অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম

স্বচ্ছতা, নিরাপত্তা ও বিশ্বমানের অভিজ্ঞতা নিয়ে আমরা বাংলাদেশের কোটি খেলোয়াড়ের পাশে আছি

২০১৮
প্রতিষ্ঠার বছর
৫০ লাখ+
নিবন্ধিত সদস্য
৳৬২ কোটি+
পুরস্কার বিতরণ
২৪/৭
গ্রাহক সেবা
৬৪ জেলা
সারা বাংলাদেশে

jta9 কী এবং কেন আমরা আলাদা?

jta9 হলো বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান অনলাইন গেমিং ও বেটিং প্ল্যাটফর্ম। ২০১৮ সালে যাত্রা শুরু করে আজ পর্যন্ত আমরা ৫০ লাখেরও বেশি সদস্যকে সেবা দিয়ে আসছি। ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী থেকে শুরু করে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের খেলোয়াড়রাও আমাদের প্ল্যাটফর্মে প্রতিদিন লগইন করেন। jta9-এর সাফল্যের পেছনে একটাই কারণ — আমরা সবসময় খেলোয়াড়দের কথা আগে ভাবি।

বাংলাদেশে অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্মের সংখ্যা কম নয়, কিন্তু jta9-এর সাথে বাকিদের পার্থক্যটা হলো বিশ্বাসযোগ্যতা। আমাদের প্ল্যাটফর্মে প্রতিটি ট্রানজেকশন সুরক্ষিত, প্রতিটি ড্র সার্টিফাইড RNG সিস্টেমে পরিচালিত এবং প্রতিটি পুরস্কার নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পৌঁছে দেওয়া হয়। jta9-এ কোনো লুকানো শর্ত নেই, কোনো অযৌক্তিক বিধিনিষেধ নেই।

আমাদের টিম বিশ্বাস করে যে অনলাইন গেমিং একটি বিনোদন — এবং সেই বিনোদন পাওয়ার অধিকার বাংলাদেশের প্রতিটি খেলোয়াড়ের আছে। সেই বিশ্বাস থেকেই jta9 তৈরি হয়েছিল এবং আজও সেই বিশ্বাস আমাদের প্রতিটি সিদ্ধান্তের ভিত্তি।

jta9 বাংলাদেশ

বাংলাদেশজুড়ে jta9-এর লক্ষাধিক বিশ্বস্ত সদস্য প্রতিদিন আমাদের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করেন

আমাদের বৈশিষ্ট্য

কেন লক্ষাধিক মানুষ jta9 বেছে নেন?

প্রযুক্তি, নিরাপত্তা ও সেবার মান — তিনটি স্তম্ভে দাঁড়িয়ে আছে jta9

🔒

সর্বোচ্চ নিরাপত্তা

jta9-এ প্রতিটি ট্রানজেকশন SSL এনক্রিপশন দিয়ে সুরক্ষিত। আপনার ব্যক্তিগত তথ্য ও আর্থিক ডেটা কখনো তৃতীয় পক্ষের কাছে যায় না। দুই স্তরের যাচাই প্রক্রিয়া আপনার অ্যাকাউন্টকে সুরক্ষিত রাখে।

⚡

দ্রুত পেমেন্ট

jta9-এ উইথড্র রিকোয়েস্ট দেওয়ার পর গড়ে মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যে বিকাশ, নগদ বা রকেটে টাকা পৌঁছে যায়। ব্যাংক ট্রান্সফারে সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টা লাগে। কোনো অযৌক্তিক বিলম্ব নেই।

📱

মোবাইল-ফার্স্ট ডিজাইন

বাংলাদেশের বেশিরভাগ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী মোবাইলে ব্রাউজ করেন। সেই কথা মাথায় রেখে jta9-এর পুরো প্ল্যাটফর্ম মোবাইল-অপ্টিমাইজড। যেকোনো স্ক্রিনে সুন্দরভাবে কাজ করে।

🎯

বিশাল গেম লাইব্রেরি

স্পোর্টস বেটিং, লটারি, জ্যাকপট, ক্যাসিনো — jta9-এ একটি প্ল্যাটফর্মেই সব পাওয়া যায়। প্রতিদিন নতুন গেম ও ইভেন্ট যোগ হয়। বাংলাদেশের ক্রিকেট থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক ফুটবল — সবকিছুতেই বেট করা যায়।

🎁

আকর্ষণীয় বোনাস

jta9-এ নতুন সদস্যদের জন্য স্বাগত বোনাস, নিয়মিত খেলোয়াড়দের জন্য লয়্যালটি পুরস্কার এবং বিশেষ উৎসবে এক্সক্লুসিভ অফার পাওয়া যায়। প্রতিটি বোনাসের শর্ত সহজ ও স্বচ্ছ।

🤝

২৪/৭ গ্রাহক সেবা

যেকোনো সমস্যায় jta9-এর সাপোর্ট টিম সবসময় প্রস্তুত। লাইভ চ্যাট, ইমেইল বা ফোনে যোগাযোগ করুন — বাংলায় সাড়া পাবেন। গড় রেসপন্স টাইম মাত্র ৩ মিনিট।

আমাদের যাত্রার গল্প

২০১৮ সালে jta9-এর পথচলা শুরু হয়েছিল মাত্র কয়েকজন প্রযুক্তিবিদ ও গেমিং বিশেষজ্ঞের হাত ধরে। তখন বাংলাদেশে অনলাইন গেমিংয়ের বাজার ছিল অসংগঠিত — বেশিরভাগ প্ল্যাটফর্মই ছিল বিদেশি এবং বাংলা ভাষায় সেবা দিতে পারত না। আমাদের প্রতিষ্ঠাতারা সেই শূন্যস্থান পূরণ করতে চেয়েছিলেন।

প্রথম বছরেই jta9-এ ৫০ হাজারের বেশি সদস্য যোগ দেন। খেলোয়াড়রা বুঝতে পারলেন যে এখানে তাদের ভাষায়, তাদের পেমেন্ট পদ্ধতিতে এবং তাদের সুবিধামতো খেলতে পারবেন। সেই বিশ্বাস আজও অটুট। ২০২১ সালে আমরা মোবাইল অ্যাপ লঞ্চ করেছি, ২০২২ সালে লাইভ ক্যাসিনো যোগ করেছি এবং ২০২৩ সালে মেগা লটারি চালু করেছি।

jta9 আজ বাংলাদেশের ৬৪টি জেলায় সক্রিয়। ঢাকার বনানী থেকে কক্সবাজারের সমুদ্র তীর, সিলেটের চা বাগান থেকে রাজশাহীর রেশম শহর — সর্বত্র jta9-এর খেলোয়াড়রা আছেন। এই বিশাল পরিবারটাই আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জন।

আমাদের প্রযুক্তি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা

jta9-এর পেছনে আছে বিশ্বমানের প্রযুক্তি অবকাঠামো। আমাদের সার্ভার ২৪ ঘণ্টা ৯৯.৯% আপটাইম নিশ্চিত করে। সব ডেটা AES-256 এনক্রিপশনে সুরক্ষিত। প্রতিটি লেনদেন রিয়েল-টাইমে মনিটর করা হয় যাতে কোনো অস্বাভাবিক কার্যক্রম তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করা যায়।

আমাদের RNG (Random Number Generator) সিস্টেম আন্তর্জাতিক সংস্থা দ্বারা নিয়মিত অডিট করা হয়। এই সিস্টেম নিশ্চিত করে যে প্রতিটি লটারি ড্র, প্রতিটি গেমের ফলাফল সম্পূর্ণ র‌্যান্ডম এবং কেউ কারচুপি করতে পারবে না। jta9-এ খেলা মানে ন্যায্য সুযোগে খেলা।

আমাদের ইতিহাস

jta9-এর মাইলফলক

প্রতিষ্ঠা থেকে আজ পর্যন্ত আমাদের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলো

১

২০১৮

jta9-এর জন্ম

বাংলাদেশের প্রথম সম্পূর্ণ বাংলা ভাষার অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে jta9 আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। প্রথম মাসেই ১০ হাজার সদস্য নিবন্ধন করেন।

২

২০১৯

স্পোর্টস বেটিং চালু

ক্রিকেট ও ফুটবল বেটিং প্ল্যাটফর্ম লঞ্চ করা হয়। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ ও আইপিএল কভারেজ শুরু হয়। সদস্য সংখ্যা ৫ লাখ ছাড়িয়ে যায়।

৩

২০২০

বিকাশ ও নগদ ইন্টিগ্রেশন

বাংলাদেশের জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং সেবাগুলোর সাথে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করা হয়। ডিপোজিট ও উইথড্র আরও সহজ ও দ্রুত হয়ে যায়।

৪

২০২১

মোবাইল অ্যাপ লঞ্চ

Android ও iOS উভয় প্ল্যাটফর্মে jta9 অ্যাপ প্রকাশিত হয়। প্রথম সপ্তাহেই ২ লাখ ডাউনলোড হয়। মোবাইল ব্যবহারকারীর সংখ্যা মোট সদস্যের ৭০% ছাড়িয়ে যায়।

৫

২০২২

লাইভ ক্যাসিনো যোগ

রিয়েল ডিলারের সাথে লাইভ ক্যাসিনো গেম চালু হয়। জ্যাকপট সেকশন আলাদাভাবে লঞ্চ করা হয়। পুরস্কার বিতরণ ৳২০ কোটি ছাড়িয়ে যায়।

৬

২০২৩–২৫

মেগা লটারি ও সিন্ডিকেট

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন মেগা লটারি চালু হয়। সিন্ডিকেট ফিচার যোগ হয়। সদস্য সংখ্যা ৫০ লাখ ছাড়িয়ে মোট পুরস্কার বিতরণ ৳৬২ কোটি ছাড়িয়ে যায়।

jta9 ঢাকা

ঢাকা থেকে jta9-এর হাজারো বিশ্বস্ত খেলোয়াড় প্রতিদিন আমাদের প্ল্যাটফর্মে সক্রিয় থাকেন

আমাদের মূল্যবোধ

যে নীতিতে আমরা চলি

jta9-এর প্রতিটি সিদ্ধান্তের পেছনে এই মূল্যবোধগুলো কাজ করে

০১

স্বচ্ছতা সর্বদা

jta9-এ কোনো কিছু লুকানো থাকে না। প্রতিটি বোনাসের শর্ত, প্রতিটি গেমের অডস এবং প্রতিটি লটারির নিয়ম স্পষ্টভাবে প্রকাশ করা হয়। খেলোয়াড় যা দেখবেন, তাই পাবেন।

০২

খেলোয়াড় প্রথম

আমাদের প্রতিটি ফিচার, প্রতিটি আপডেট খেলোয়াড়দের মতামতের ভিত্তিতে তৈরি। jta9-এ খেলোয়াড়দের ফিডব্যাক সরাসরি প্রোডাক্ট টিমের কাছে পৌঁছায় এবং দ্রুত পরিবর্তন আনা হয়।

০৩

দায়িত্বশীল গেমিং

jta9 বিশ্বাস করে গেমিং বিনোদনের জন্য, আসক্তির জন্য নয়। আমরা খেলোয়াড়দের সীমা নির্ধারণের সুবিধা দিই এবং প্রয়োজনে সহায়তার পথ দেখাই। দায়িত্বশীল গেমিং আমাদের নীতির অবিচ্ছেদ্য অংশ।

০৪

ক্রমাগত উন্নতি

jta9 কখনো থেমে থাকে না। প্রতি মাসে নতুন ফিচার, নতুন গেম এবং উন্নত অভিজ্ঞতা নিয়ে আসি। প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশের সেরা গেমিং প্ল্যাটফর্ম হয়ে ওঠার লক্ষ্যে আমরা প্রতিদিন কাজ করছি।

দায়িত্বশীল গেমিংয়ে আমাদের প্রতিশ্রুতি

jta9 শুধু একটি গেমিং প্ল্যাটফর্ম নয় — এটি একটি দায়িত্বশীল কমিউনিটি। আমরা জানি যে অতিরিক্ত গেমিং ক্ষতিকর হতে পারে। সে কারণেই jta9-এ প্রতিটি খেলোয়াড় নিজের দৈনিক বা সাপ্তাহিক বাজেট সীমা নির্ধারণ করতে পারেন। সেই সীমা পার হলে সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে সতর্কতা দেয়।

আমাদের সাপোর্ট টিম প্রশিক্ষিত — যদি কোনো খেলোয়াড় মনে করেন গেমিং তাদের জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে, তারা আমাদের সাথে যোগাযোগ করলে আমরা তাদের সাহায্য করব। জরুরি প্রয়োজনে অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার বিকল্পও আছে।

১৮ বছরের কম বয়সীদের jta9-এ অংশগ্রহণ সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ। নিবন্ধনের সময় বয়স যাচাই করা হয় এবং যেকোনো সন্দেহজনক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত যাচাইয়ের ব্যবস্থা আছে। বিস্তারিত জানতে আমাদের দায়িত্বশীল খেলা পেজ দেখুন।

আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

jta9 সম্পর্কে যেকোনো প্রশ্ন বা মতামত থাকলে আমরা সর্বদা শুনতে প্রস্তুত। আমাদের গ্রাহক সেবা দল সপ্তাহের সাত দিন, ২৪ ঘণ্টা আপনার পাশে আছে। ইমেইলে লিখুন [email protected] — আমরা বাংলায় উত্তর দেব।

আমাদের টিম

যাদের হাতে তৈরি jta9

অভিজ্ঞ প্রযুক্তিবিদ, গেমিং বিশেষজ্ঞ ও গ্রাহক সেবা পেশাদারদের দল

👨‍💼

আরিফ হোসেন

প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা

👩‍💻

তানিয়া রহমান

প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা

👨‍🔧

শাহেদ আলম

নিরাপত্তা প্রধান

👩‍🎨

নাফিসা ইসলাম

পণ্য ডিজাইন প্রধান

jta9 টিম

jta9-এর দক্ষ টিম প্রতিদিন লক্ষাধিক খেলোয়াড়ের জন্য সেরা অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে কাজ করে

📋
jta9 সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে আমাদের নিয়ম ও শর্তাবলী, গোপনীয়তা নীতি এবং প্রায়ই জিজ্ঞেস করা প্রশ্ন পেজগুলো দেখুন। যেকোনো প্রশ্নে [email protected]এ ইমেইল করুন।
এখনই শুরু করুন

jta9 পরিবারে যোগ দিন আজই

৫০ লাখেরও বেশি খেলোয়াড়ের বিশ্বস্ত প্ল্যাটফর্মে নিবন্ধন করুন এবং বিশেষ স্বাগত বোনাস পান।

English